মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী

সারাদেশ

কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি

রাজনীতি

বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ

সারাদেশ

জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি

জেলার সংবাদ

প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মসজিদের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, আহত ৪

মোঃ জামির হোসেন সরকার, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে মসজিদ কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে দুপক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকাল তিনটায় উপজেলার পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামে এঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হুগুলিয়া গ্রামের হাজী জৈয়নুদ্দিন ওয়াকফ এস্টেটের মারকাজ মসজিদ ও মক্তবের কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলছিল দুই পক্ষের মধ্যে। দুই পক্ষের দ্বন্ধে একমাস যাবৎ মসজিদ তালাবদ্ধ। কয়েকদিন আগে হুগুলিয়া গ্রামের লোকজন মোতয়াল্লী শাখাওয়াত ও মোস্তফার হাত থেকে মসজিদ রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন করেছেন। আজ সোমবার শাখাওয়াত ও মোস্তফা তাদের লোকজন নিয়ে মসজিদের দখল নিতে গেলে গ্রামবাসীর সাথে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে হুগুলিয়া গ্রামের হাসান আহমেদ, মুজিবুর রহমান, মিজানুর রহমান ও সেলিনা আক্তার নামে এক নারী আহত হয়েছেন।

হুগুলিয়া গ্রামের মনির হোসেন, হুমায়ুন কবির ও খলিল মিয়া জানান, একশো বছর আগে আমাদের গ্রামের হাজী জৈয়নুদ্দিন তার নিজের নামে ওয়াকফ এস্টেট, মসজিদ এবং মাদ্রাসার জন্য ১২ কানি(তিন একর) জমি দান করে গেছেন। দানকৃত দলিলে উল্লেখ করা আছে সমাজের ১২ জন মাতব্বর এবং তাদের মধ্যে একজন পরহেজগার আলেমকে মোতাওয়াল্লি করে কমিটি হবে। সেই মতে গ্রামের মুফতি ফজলুল হক আমিনীকে মোতাওয়াল্লি করা হয়েছিল। ২০১২ সালে তিনি মারা যান।

এরপর উনার মেয়ের জামাই শাখাওয়াত পরিচালনা শুরু করেন। কিছু দিন আগে গ্রামবাসীকে না জানিয়ে অন্য উপজেলার লোকজনসহ শাখাওয়াত নিজেকে মোতয়াল্লী করে কুমিল্লায় কমিটি জমা দেয়। গ্রামবাসী একমিটি বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশও করেছে। শাখাওয়াত অন্য উপজেলার, সে আমাদের গ্রামের জামাই, আজ বহিরাগত লোক নিয়ে মসজিদ দখল করতে আসলে গ্রামবাসী বাধা দিলে আমাদের হামলা চালায়।

এবিষয়ে মুঠোফোনে মুফতি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমি সকাল থেকেই ঢাকায় আছি। মসজিদের কমিটি নিয়ে মারামারির ঘটনার কিছুই জানি না। আর ওয়াকফ এস্টেটের কমিটি গোপনে করার কোন সুযোগ নেই। মুলতঃ মারকাজ মসজিদটি তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপের পুর্বের দ্বন্দ্বের ধারাবাহিকতায় আজ গ্রামবাসীর মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি আব্দুল বারি বলেন, মারকাজ মসজিদ নিয়ে দ্বন্দ্বে আজ দুইপক্ষের লোকজন উত্তেজিত অবস্থানে ছিল। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। আর তাদের দ্বন্দে মারকাজ মসজিদটি একমাস যাবৎ বন্ধ। যা শুনেছি দীর্ঘদিন দুইপক্ষের দ্বন্দ্ব চলছে।

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ ।। মোবাইলঃ ০১৯৩৪-৯৪৮৩১৭। বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ ঢুলিভিটা, ধামরাই, ঢাকা

প্রিন্ট করুন