মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ভেজাল কীটনাশক ব্যবহারের অভিযোগে এক কৃষকের আম বাগানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২০ বিঘা জমির আম গাছ ও ফল নষ্ট হয়ে গেছে। ভুক্তভোগী কৃষক ইসমাইল হোসেনের দাবি, এতে তাঁর প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ধর্মগড় ইউনিয়নের কাউন্সিল বাজার এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন চেকপোস্ট সীমান্তবর্তী ভদ্রেশ্বরী এলাকায় লিজ নেওয়া প্রায় ৭৫ বিঘা জমিতে আমের বাগান গড়ে তোলেন। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে তিনি স্থানীয় বাজারের একটি ডিলারের কাছ থেকে ‘সাফা এগ্রো প্রোডাক্টস’ কোম্পানির ‘সামজো (এমামেকটিন বেনজোয়েট)’ নামের কীটনাশক কিনে ২০ বিঘা জমিতে প্রয়োগ করেন।
তাঁর অভিযোগ, স্প্রে করার দুই-তিন দিনের মধ্যেই আম কালো হয়ে যায় এবং গাছের ডালপালায় পোড়া লক্ষণ দেখা দেয়, ফলে বাগানের বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়। তিনি বলেন, “আমি জীবনের সব সঞ্চয় দিয়ে এই বাগান করেছি। হঠাৎ করে সব শেষ হয়ে গেল। আমি চাই এ ঘটনার সঠিক তদন্ত ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা হোক, যাতে অন্য কেউ এমন ক্ষতির মুখে না পড়ে।”
এ বিষয়ে আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মামুন বলেন, “এ ধরনের ঘটনা শুধু একজন কৃষকের ক্ষতি নয়, পুরো এলাকার আম উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে। ভেজাল কৃষি উপকরণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি জরুরি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম জানান, “আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে কীটনাশকটি ভেজাল কিনা। পাশাপাশি কৃষকদের অনুমোদিত উৎস থেকে কীটনাশক ক্রয় ও ব্যবহারে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।