মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী

সারাদেশ

কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি

রাজনীতি

বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ

সারাদেশ

জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি

জেলার সংবাদ

প্রিন্ট এর তারিখঃ বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

সুনামগঞ্জে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা: ২৮ এপ্রিলের মধ্যে পাকা বোরো ধান কাটার নির্দেশ

সালমান ফারসী, সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ফসলের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে হাওরের পেকে যাওয়া বোরো ধান দ্রুত কেটে ফেলার জন্য কৃষকদের জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)।

শুক্রবার সকালে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৩ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও এর উজানে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হলেও ২৭ এপ্রিল থেকে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে ২৮ থেকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে সুরমা নদী, কুশিয়ারা নদী, ধনু নদী-বাউলাই এবং ভুগাই-কংসসহ এ অঞ্চলের প্রধান নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। ২৮ এপ্রিল থেকে কোথাও কোথাও নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বর্তমানে সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ১.৭৬ মিটার বা ৫.৭৭ ফুট নিচে রয়েছে। তবে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ অবস্থায় ২৮ এপ্রিল থেকে সুনামগঞ্জ জেলায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা হাওরের বোরো ফসলের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই যেসব জমির ধান প্রায় ৮০ শতাংশ পেকে গেছে, সেগুলো দ্রুত কেটে ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বাপাউবো।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার বলেন, “২৮ এপ্রিলের পর থেকে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। তাই কৃষকদের অনুরোধ করছি, যেসব জমির ধান পেকে গেছে, সেগুলো দ্রুত কেটে নিরাপদে ঘরে তুলুন।”

স্থানীয় কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময়মতো ধান কাটতে পারলে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ ।। মোবাইলঃ ০১৯৩৪-৯৪৮৩১৭। বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ ঢুলিভিটা, ধামরাই, ঢাকা

প্রিন্ট করুন