মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
শেরপুরের চরাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে চলা গরু ডাকাতির ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল স্থানীয় জনগণ। অবশেষে জনতার সহায়তায় আন্তঃজেলা গরু ডাকাত চক্রের তিন সদস্যকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে শেরপুর সদর উপজেলার কামারের চর এলাকার ৬ ও ৭ নম্বর চরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ড্রাম ট্রাক করে চারটি গরুসহ ছয়জন ব্যক্তি জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার দশানি নদীর পাড় সংলগ্ন এলাকায় নামানো হয়। তাদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।
একপর্যায়ে চক্রের তিন সদস্য পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের তৎপরতায় তিনজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনার খবর দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে রাতে শেরপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক তিনজনকে গ্রেফতার করে এবং উদ্ধারকৃত গরুগুলো থানায় নিয়ে আসে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার চিরাম গ্রামের মো. টিটু মিয়া, মো. নজরুল ইসলাম (৩৫) এবং মোসা. বরুণা আক্তার (৩৮)। শেরপুর সদর থানার উপপরিদর্শক আক্তারুজ্জামান মিয়া বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বরুণা আক্তার এই চক্রের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তিনি নিজের বাবার বাড়ি ও স্বামীর বাড়ি এলাকায় ঘুরে গৃহস্থদের গোয়ালের গরুর তথ্য সংগ্রহ করে ডাকাত চক্রকে সরবরাহ করতেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরির ঘটনা সংঘটিত হতো।
পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত গরুগুলো বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে এবং পুরো চক্রটিকে শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।