মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী

সারাদেশ

কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি

রাজনীতি

বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ

সারাদেশ

জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি

জেলার সংবাদ

প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

৩৩ শতাংশ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত বৃত্তি পরীক্ষায়

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:

দীর্ঘ ১৬ বছর পর এবছর থেকে শুরু হলো প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা। নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে দিয়ে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এমনটাই দাবি করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। দীর্ঘদিন পরে বৃত্তি পরীক্ষা আরম্ভ হলেও তেমন সাড়া জাগাতে পারেনি মফস্বল এলাকাগুলোতে। অভিভাবকদের অভিযোগ, ষষ্ঠ শ্রেণিতে এই শিশু শিক্ষার্থীরা চারমাস ক্লাস করেছে। এখন এই অল্প সময়ে কিভাবে তারা বৃত্তি পরীক্ষায় ভাল করবে। তাছাড়াও ষষ্ঠ শ্রেণির অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে জুন মাসে। কোন সিলেবাস শেষ করাবো। এটা ছোট বাচ্চাদের উপর অতিরিক্ত চাপ।

চলতি বছর বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় প্রায় ৩৩ শতাংশ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো। শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার ৪ মাস পর এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় ৩৩.৯% পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেনি। শেষ পরীক্ষার দিন শনিবার দুপুরে উপজেলার কয়েকটি বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, এ বছর উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৯৪ জন অংশগ্রহণ করার কথা ছিলো। কিন্তু সেখানে অংশগ্রহণ করেছে মাত্র ৫২৫ জন। আর ২৬৯ জন পরীক্ষার্থীই অনুপস্থিত। অর্থাৎ ৩৩.৯% পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেনি।

মোবাশ্বির মুনতাসির নামের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন সিলেবাসের সাথে তাল মিলিয়ে পড়ছিল শিক্ষার্থীরা। কিন্তু হঠাৎকরেই তাদের উপর বৃত্তি পরীক্ষাটি চাপিয়ে দেওয়া হয়।  একদিকে মাধ্যমিকের পড়া অন্যদিকে বৃত্তি পরীক্ষা। এতে মানসিক চাপে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। কোমলমতি বাচ্চারা এক সাথে দুই শ্রেণির পড়ার চাপ সামলাতে গিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

উপজেলার সান্তাহার হার্ভে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা চার মাস ক্লাশ করার পর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে। অথচ এই চার মাস তারা হাই স্কুলের সিলেবাস পরেছে। এপ্রিলে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা শেষ। আর  জুনে অনুষ্ঠিত হবে তাদের অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে গুরুত্বপূর্ণ দুটি পরীক্ষা নিয়ে শিশু শিক্ষার্থীরা পড়েছে বিপাকে।

তিনি আরও বলেন, চার মাস হাইস্কুলে ক্লাশ করার পর বৃত্তি পরীক্ষা ভাল দিতে পারবে না, এই ভেবে অনেক পরীক্ষার্থী অংশ নেয় নি। এই বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকরাও উদ্বিগ্ন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবদুর রহিম প্রধান বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আমরা ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা’ নিয়েছি। কেন্দ্রে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। অনেক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলেও পরীক্ষা ভালো হয়েছে বলেও দাবি করেন এই শিক্ষা অফিসার।

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ ।। মোবাইলঃ ০১৯৩৪-৯৪৮৩১৭। বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ ঢুলিভিটা, ধামরাই, ঢাকা

প্রিন্ট করুন