মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী

সারাদেশ

কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি

রাজনীতি

বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ

সারাদেশ

জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি

জেলার সংবাদ

প্রিন্ট এর তারিখঃ বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

মিরপুর কলেজে শুধু বড় ভাইদের ছোট ভাইয়েরাই সুবিধা পায়

মো: অমিত হাসান জয়, ঢাকা মহানগর প্রতিনিধি

মিরপুর কলেজ, রাজধানী ঢাকার অদূরে মিরপুর-২ নাম্বারে মিরপুর মডেল থানার পাশে অবস্থিত মিরপুর কলেজ। এটি মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ নামে পরিচিত। এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ একটি কলেজ। মিরপুর কলেজ ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।এই কলেজটি ১৯৮৮ সালে বর্তমান ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়েছিল।

কিন্তু এই কলেজ সম্পর্কে রয়েছে প্রচুর অভিযোগ। বিভিন্ন ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন সময়ে অনেক ধরনের অভিযোগ করে থাকে।

এই কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকারা কখনো কোন শিক্ষার্থীকে আর্থিক বিষয়ে কোন সহায়তার চেষ্টা করে না। যারা খুবই গরিব এবং লেখাপড়ার খরচ চালাতে খুবই কষ্ট হয়, এদের মধ্যে যেমন রয়েছে দিনমজুরের ছেলে-মেয়ে এবং আরো অনেক গরিব ছেলেমেয়ে এখানে লেখাপড়া করে যাদের মা-বাবা অন্যের বাসায় কাজ করে এরকমও আছে।

আর এই কলেজে পড়তে হলে প্রচুর খরচ বহন করতে হয় যা আসলে তাদের পক্ষে কষ্টকর হয়ে পড়ে। এই বিষয়ে যদি কখনো কোন শিক্ষার্থীরা তাদের কাছে শরণাপন্ন হন তাহলে তারা কোনভাবেই তাদেরকে কোন মওকুফের সুযোগ দেন না। তারা যদি একটু সহৃদয় হতো তাহলে অনেক গরিব শিক্ষার্থীরাই এখান থেকে ভালোভাবে পাশ করে বের হতে পারতো।

কিন্তু অভিযোগ আছে শুধু নাকি কলেজের বড় ভাইদের ছোট ভাইয়েরাই এই সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পায়। এর আগেও এই কলেজের নামে এরকম অনেক অভিযোগ রয়েছে যে বড় ভাইদের ছোট ভাইয়েরাই সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পায়। কলেজের গরীব শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে তাদের দুঃখের বিষয়টি শেয়ার করছে। তাদের একটাই দাবি, যদি তাদের বেতন বকেয়া কিছুটা মওকুফ করা হতো তাহলে অনেক গরীব শিক্ষার্থীরাই যারা আর্থিকভাবে সচ্ছল নয় তারা এখান থেকে লেখাপড়া করে বের হতে পারতো। এই দাবিই শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন।

আর শুধু এখানে নয়, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ছোট বড় বিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় যারা আর্থিকভাবে সচ্ছল নয় তাদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি তাদের বেতন বকেয়া মওকুফের দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ জাহিদুর রহমান জাহিদ ।। মোবাইলঃ ০১৯৩৪-৯৪৮৩১৭। বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ ঢুলিভিটা, ধামরাই, ঢাকা

প্রিন্ট করুন