মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
ভোলার রাজপথের দুর্দিনের সৈনিক, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি সাজ্জাদ হোসেন মুন্নাকে ভোলা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় তৃণমূলের হাজারো নেতাকর্মী। দীর্ঘ সময় ধরে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে তার অদম্য নেতৃত্ব এবং ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই দাবি জোরালো হচ্ছে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, গত দেড় দশকে ভোলায় স্বৈরাচারী হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সাজ্জাদ হোসেন মুন্নার ভূমিকা ছিল অনন্য। তার নেতৃত্বে হাজারো ছাত্রদলের নেতাকর্মী রাজপথ প্রকম্পিত করেছে। পুলিশের মামলা-হামলা আর হয়রানি উপেক্ষা করে তিনি দলকে সুসংগঠিত রেখেছেন।
আন্দোলন চলাকালে পুলিশের লাঠির আঘাতে তার পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। দেশ-বিদেশে দীর্ঘ চিকিৎসা এবং বিপুল অর্থ ব্যয়ের পর পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার আগেই জিয়ার আদর্শের টানে তিনি আবারও রাজপথে ফিরে এসেছেন। নেতাকর্মীদের দাবি, যার রক্ত ও ঘামের বিনিময়ে ভোলায় ছাত্রদল আজ শক্তিশালী অবস্থানে, তার কাছে পদ-পদবি বড় বিষয় নয়, বরং তিনি নিজেই পদের অলঙ্কার।
সাধারণ কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সাজ্জাদ হোসেন মুন্না কেবল একজন নেতাই নন, তিনি কর্মী গড়ার কারিগর। তৃণমূলের একজন সাধারণ কর্মীকেও তিনি পরম মমতায় আগলে রাখেন। সাধারণ ছাত্রদল কর্মীদের ভাষায়, “মুন্না ভাই আমাদের মনে-প্রাণে মিশে আছেন। রাজপথের লড়াইয়ে যার অবদান পাহাড়সম, তাকেই আমরা জেলা ছাত্রদলের অভিভাবক হিসেবে দেখতে চাই।”জিয়া পরিবারের প্রতি অবিচল আস্থা ও শহীদ জিয়ার আদর্শ লালনকারী এই নেতাকে সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন ভোলার ছাত্রদলের তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তৃণমূলের আবেগ ও ত্যাগের মূল্যায়ন করে সাজ্জাদ হোসেন মুন্নাকে যোগ্য আসনে অধিষ্ঠিত করবেন।