মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ

মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
সারাদেশ
কুরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতি
বদলি-সংযুক্তির পর যোগদান করা শিক্ষকদের তথ্য আইপিইএমআইএসে হালনাগাদের নির্দেশ
সারাদেশ
জেলেদের জীবিকার সংকট ঘুচাতে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার: আবু সুফিয়ান এমপি
জেলার সংবাদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে আলোচিত প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না শেষ পর্যন্ত নিজের জামানত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। নাগরিক ঐক্য-এর সভাপতি হিসেবে ‘কেটলি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি মোট ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়েছেন, যা মোট বৈধ ভোটের মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ আসনে মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার ৮০২টি বৈধ ভোট পড়েছে। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, জামানত রক্ষার জন্য প্রার্থীর মোট বৈধ ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জন বাধ্যতামূলক।
সে হিসাবে মান্নার প্রয়োজন ছিল ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট—যা থেকে তিনি অনেকটাই পিছিয়ে পড়েন।এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন মীর শাহে আলম।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পান।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, যিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী হিসেবে ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট পেয়েছেন।
নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক মহলে জোটগত সমঝোতার আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বড় দলগুলোর সঙ্গে কোনো সমঝোতা হয়নি।
ফলে মান্নাকে এককভাবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে হয়। বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী দলীয় প্রার্থীদের উপস্থিতি এবং সমঝোতা ভেস্তে যাওয়াই তার কম ভোট পাওয়ার অন্যতম কারণ।এ আসনে মোট ভোটারের ৭২ দশমিক ৬৩ শতাংশ ভোট প্রদান করেছেন, যা তুলনামূলকভাবে উচ্চ উপস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।এ বিষয়ে মান্নার প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।